বর্তমান সমস্যা
নগরীর প্রধান সড়কগুলোতে প্রতিদিন যানজট লেগেই থাকে। স্কুল, অফিস ও বাজার এলাকায় চলাচল কঠিন হয়ে পড়ে।
কেন সমাধান হয়নি ?
কারণ ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা আধুনিক হয়নি, ফুটপাত দখল এবং পরিকল্পনাহীন পার্কিং।
আমার প্রস্তাবিত সমাধান
Ward-wise Traffic Plan, নির্দিষ্ট পার্কিং জোন এবং স্মার্ট ট্রাফিক সিগন্যাল চালু করবো। ফুটপাত হবে পথচারীদের জন্য—দখলমুক্ত নগর গড়বো।

7 Comments
Your comment is awaiting moderation.
ময়মনসিং শহরে উঠুক চলাচল বদ্ধ করতে হবে
কখনো যেন ফ্রিজে ওঠো না আসে
কখনো যেন চোরকাঁড়াও তো না আসে
হাইওয়ে উঠে যেন কখনো আসে
ডিজিটাল টাইপিং সিঙ্গেল ব্যবস্থা করতে হবে
Your comment is awaiting moderation.
একটা সমস্যা সমাধান খুব বেশী জরুরি৷ আর এটা করতে পারলে মানুষ একটু স্বস্তি পেতো। শহরে নামে বেনামে অসংখ্য অটো রিক্সা, মিশুক, ব্যাটারি চালিত থ্রি হুইলার এর যন্ত্রণা সহ্য করা যাচ্ছেনা। এই সমস্যা টা সমাধান এ আপনার পরিকল্পনা স্পষ্ট করে শেয়ার করলে খুশি হবো, আর গাংগিনাপাড় ট্রাফিক মোড় থেকে চরপাড়া যাওয়ার রোড টাতে বার বার মানুষ অটোতে ছিনতাই এর শিকার হচ্ছে কিন্তু কোন প্রতিকার নেই, এমন বেশ কয়টা রুট আছে যেগুলা স্পেসিফিক্যালি ছিনতাইনের হটস্পটে পরিণত হয়েছে চড়পাড়া থেকে ব্রিজ যাওয়ার রুট টাও ভয়াবহ অবস্থায় ছিনতাই হচ্ছে আর এগুলা আমি সাধারণ জনগণ হিসেবেই জানি। খুব বেশি ছিনতাই এর ঘটনা ঘটছে যা কোন ভাবেই কাম্য নয়, আর চড়পাড়া মোড় থেকে শুরু করে মেডিক্যাল গেইট পর্যন্ত ফুটপাত টা যদি জনগণের হাটার মত করে দিতে পারতেন। পুরো ফুটপাত তো দখল হয়েই আছে এমন কি রাস্তার মেজর পোরশন শুধু হকার দিয়েই ভরা৷ গাড়ি চলবে কেম্নে মানুষ ই হাটতে পারেনা৷ যানজট নিরসন করা সম্ভব না যদি রাস্তা টা গাড়ি চলাচলের উপযুক্ত করা না যায়৷ আর গাঙিনাপার ট্রাফিক মোর এর ফুটপাত এর কথা কি বলবো৷ এগুলো নিয়ে আসলে প্ল্যানিং জরুরি৷ আরবান এন্ড রিজিওনাল প্ল্যানার নিয়ে একটা সুন্দর শহর বিনির্মানে পদক্ষেপ নিন পরিকল্পনা জনগনকে জানান৷ মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে এগিয়ে আসবে।
Your comment is awaiting moderation.
ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন এর ৩৩ ওয়ার্ড এর মধ্যে ৩২ নং ওয়ার্ড একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ওয়ার্ড কারন এর সামাজিক ও রাজনৈতিক ইতিহাস ও সংস্কৃতি ইতিহাস।কিন্তুু ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন এর সবচেয়ে অবহেলিত ওয়ার্ড হলো এটি,,নাগরিক সেবার কোন বালাই নাই এই ওয়ার্ড এ,,দেখলে মনে হয় হালুয়াঘাটের কোন প্রত্যন্ত অঞ্চলের চেয়েও খারাপ এর নাগরিক সুবিধা। নগর হওয়া সত্বেও কোন নগর সুবিধা না এখানে,,সর্বপোরি অবহেলিত ওয়ার্ড,, এর পর মরার উপর খারার ঘা তো আছেই যেমন – মাদক,, সন্তাস,চাঁদাবাজি, ভূমিদস্যুতা আরো অনেক,,
আমার মনে হয় জনাব,
এডভোকেট হান্নান খান, এই সময়ের এক সময় উপযোগী ব্যক্তি। কারন তিনি এই নগরী নিয়ে অনেক স্বপ্ন বুকে ধারন করেন,,সর্বদাই তিনি মানুষের সুখ, দুঃখ নিয়ে ভাবেন,
তিনি মেহনতি, অসহায়ের কথা বলেন।
তাছাড়া ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন বর্তমান যে বেহাল অবস্থা তা নিরোশনের একমাত্র যোগ্য ও সময় উপযোগী বক্তি হলোন এডভোকেট হান্নান খান। আমি মনে করি এডভোকেট হান্নান খান কে ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন এর মেয়র হিসেবে নির্বাচিত হলো নগরীর সকল সমস্যার সমাধান ও একটি আধুনিক সুন্দর, বাস উপযোগী নগরীতে পরিনত হবে আমাদের সকলের ময়মনসিংহ নগরী।
অটোর বিকল্প কোন যানের ব্যবস্থা করা যায় কিনা সে ব্যাপারে ভাববেন আশা করি। সব থেকে বড় কথা রেললাইন যে কোন উপায়েই হোক শহরের বাহিরে স্থানান্তরিত করতে হবে। কাচারি ঘাট পুলিশ লাইন ঘাট এবং ঘুন্টী ঘাটে তিনটি সেতুর মাধ্যমে শহরের বিস্তৃত গঠানো। বিশেষ করে ৩১ ৩২ ৩৩ এই তিনটি ওয়ার্ডের সাথে শহরের যোগাযোগ শিথিল করে গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা স্থানান্তর করা। আমি জানিনা এটা সম্ভব কিনা। তবে এটা হলে মনে হয় ময়মনসিংহ একটি ঝামেলাহীন নগরী হবে। আপনার জন্য শুভকামনা রইল 🖤
Your comment is awaiting moderation.
আপনার ট্রাফিক বিষয়ক প্রস্তাবনাটি ক্লিয়ার কোনো সমাধান বা মেসেজ বহন করেনা, স্মার্ট সিগন্যাল কিভাবে কাজ করবে অথবা পার্কিং জোনের জন্য পর্যাপ্ত জায়গা আছে কিনা সেটাও প্রশ্নবিদ্ধ
ওয়ার্ড ওয়াইজ ট্রাফিক প্ল্যান করা একটি ভালো সিদ্ধান্ত। আসলে মাত্র ৭-৮% রোড নিয়ে ট্রাফিক কন্ট্রোল করা বেশ কঠিন। হয়ত কিছু পদক্ষেপ নিলে জন দুর্ভোগ কিছুটা লাঘব হবে। যেমন-
১. শহরের ভিতর দিয়ে বাস/ট্রাক কোনো ভাবেই এলাউ করা যাবে না। ইট/বালু বা অন্যান্য মালের ট্রাক কমপক্ষে রাত ১০:৩০ পর এলাউ করা যেতে পারে।
২. বর্তমানে শহরের সংকীর্ণ রাস্তার কারণে অটোরিকসা’র মত যানবাহন এর বিকল্প নেই। আমরা চাইলেই মিনিবাস ব্যবহার করতে পারবো না। অটো চলবেই। তবে কিছু কিছু গুরুত্বপূর্ণ লিংকিং রোড ওয়ান ওয়ে করা যেতে পারে। যেমন ব্রিজ থেকে যে অটো শেষ মোড় যাবে তারা সরাসরি ওই রোড দিয়েই যাবে কিন্তু ফেরার সময় কেওয়াটখালী বাইপাস হয়ে ঢাকা রেলগেট সংলগ্ন রোড হয়ে ফিরতে হবে। এরকম আরো প্যারালাল লিংকিং রোড যেগুলো আছে সেগুলোকে ওয়ানওয়ে করা যেতে পারে অটোর জন্য। এই বিষয়ে আরো বিস্তর পর্যালোচনা প্রয়োজন।
৩. অবৈধ পার্কিং এক মহা যন্ত্রণা আমাদের। সাইকেল থেকে শুরু করে গাড়ি/লরি, সব কিছু টো করে ফেলার জন্য ডেডিকেটেড টিম থাকতে হবে। এই বিষয়ে কোনো ছাড় দেয়া যাবে না।
৪. বাসা বাড়ির বালু/ইট/পাথর রাতের মধ্যে এনে রাতেই গুছিয়ে নিতে হবে। দিনের বেলা রাস্তায় পরে থাকলে স্ট্রিক্টলি জরিমানা বা শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে।
৫. বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এর সাথে কোলাবোরেশন এ আসতে হবে। যারা চাকরি করেন, যদি সম্ভব হয় তাদের শিডিউল সমন্বয় করতে হবে। কিছু প্রতিষ্ঠান ১০-৫টা হলে, কিছু প্রতিষ্ঠান ১১-৬টা। এরকম সমন্বয় করা সম্ভব হলে পিক আউর এ চাপ সামালানো সহজ হবে।
৬. সিটি করপোরেশন এর ভিতরে ফুটপাত এর পরিমাণ ও কম। যেগুলো আছে সেগুলোতেও সাবধানে হাটতে হয়। ফুটপাত গুলো মেরামত করতে হবে।
ইত্যাদি ইত্যাদি। পকেটে ২ টাকা নিয়ে ৩ টাকার ভাব নেওয়া ময়মনসিংহ বাসী আমরা। নিয়ম কানুন আমাদের জন্য না- এমন চিন্তা ধারা ই আজ আমাদের কাল হয়েছে। ময়মনসিংহ সব দিক দিয়েই পেছানো। দীর্ঘদিন আমরা অভিভাবক শূন্য। আমাদের একজন সাহসী, সৎ এবং একই সাথে বেপোরোয়া মেয়র প্রয়োজন। নাহলে এই শহর ধীরে ধীরে মরে যাবে।
রেলক্রসিংগুলোতে ওভারপাস বা আণ্ডারপাস নির্মাণ করতে হবে
ফুটপাথ দখলমুক্ত করতে হবে
রাস্তা প্রশস্ত করতে হবে
অটোরিকশার সংখ্যা ধাপে ধাপে কমিয়ে বিপরীতে টাউন সার্ভিস বাস নামাতে হবে
Your comment is awaiting moderation.
রেল নিয়ে কি পরিকল্পনা আছে আপনার??
গঙ্গিনা পার ট্রাফিক মোড় থেকে স্টেশন এর সামনে মোড় পর্যন্ত এটা সম্পূর্ণ পায়ে হাঁটা পথ করতে পারেন, তবে দুই পাশেই বাইকের পার্কিং বেবস্থা করতে হবে, শহরে বাইক রাখা চরম নিরাপত্তা হীন, সিকিউরিটি প্রোটোকল বাড়াতে হবে, রিক্সা এবং অটো চলাচল এর প্রপার নিয়ম করতে হবে, মেইন রোডে কোন হকার বসতে পারবে না, স্পেশালি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট গুলোতে. সর্বোপরি এইশহরের মানুষের নীতি ও নৈতিকতা চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত, এটার উন্নয়নের জন্য একটা পদক্ষেপ নিতে পারেন-খালু. আমি খুব হতাশ এই শহরে এসে.
শহরের হাইওয়ে রোড এ রিকশা চালাচল বন্ধ করতে হবে
Uncle auto off korte hobe shathe traffic control
Uncle auto off korte hobe